মহিষের দুধের টক দই
আমাদের মহিষের দুধের টক দই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং ঘন। এতে কোনো কৃত্রিম উপাদান বা চিনি ব্যবহার করা হয় না। এর সমৃদ্ধ স্বাদ এবং মসৃণ টেক্সচার এটিকে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের জন্য একটি আদর্শ পছন্দ করে তোলে। হজমশক্তি বাড়ানো এবং শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য এটি দারুণ কার্যকর।
480৳ Original price was: 480৳ .450৳ Current price is: 450৳ .লিটার
Out of stock
This product is currently sold out.
No worries! Enter your email, and we'll let you know as soon as it's back in stock.
Add 3,000৳ to cart and get free shipping!
মহিষের দুধের টক দই শুধু একটি খাবার নয়, এটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মহিষের খাঁটি দুধ থেকে তৈরি হয়, যা সাধারণ গরুর দুধের চেয়ে বেশি ঘন এবং পুষ্টিতে ভরপুর। এটিতে কোনো ধরনের চিনি, কৃত্রিম রং বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় না, যার ফলে আপনি এর বিশুদ্ধ এবং প্রাকৃতিক স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন। এর হালকা টক স্বাদ এবং মাখনের মতো মসৃণ টেক্সচার এটিকে একটি বিশেষ স্থান দিয়েছে।
স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং বিশেষত্ব:
- ঘন এবং পুষ্টিকর: মহিষের দুধে ফ্যাট এবং প্রোটিনের পরিমাণ বেশি থাকে, যা দইকে অতিরিক্ত ঘন করে তোলে। এটি ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, এবং ভিটামিন B12 এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানে ভরপুর।
- হজমশক্তি বাড়াতে সহায়ক: টক দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক (উপকারী ব্যাকটেরিয়া) হজমতন্ত্রকে সুস্থ রাখে এবং হজমশক্তি উন্নত করে। এটি পেটের সমস্যা যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য বা বদহজম দূর করতে সাহায্য করে।
- শরীর ঠান্ডা রাখে: এটি একটি প্রাকৃতিক শীতলকারক হিসেবে কাজ করে, যা গরমের সময় শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এটি লাচ্ছি, বোরহানি বা ঘোল তৈরির জন্য একটি আদর্শ উপাদান।
- সুষম ডায়েটের অংশ: স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের জন্য এটি একটি দারুণ পছন্দ। এটি চিনিমুক্ত হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও উপযুক্ত। সালাদ, স্মুদি বা যেকোনো খাবারের সাথে এটি যোগ করে আপনি আপনার পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারেন।
আমাদের মহিষের দুধের টক দই দিয়ে আপনি আপনার প্রতিদিনের খাবারকে আরও স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু করে তুলতে পারেন। এটি দিয়ে তৈরি লাচ্ছি, বোরহানি বা চাটনি আপনার খাবারের টেবিলে নতুন স্বাদ যোগ করবে।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
বাংলাদেশে অনলাইনে খাঁটি খাবার কেনার যাত্রা: চৌষট্টির অঙ্গীকার
বাংলাদেশে ই-কমার্স সেক্টর ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। এক সময় যেখানে অনলাইনে শুধু পোশাক বা ইলেকট্রনিকস কেনাবেচা হতো, এখন সেখানে খাদ্যপণ্য, বিশেষ করে অর্গানিক ও খাঁটি খাবার কেনার প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে।
গত কয়েক বছরে মানুষ তাদের স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে অনেক বেশি সচেতন হয়েছে। বাজারের ভেজাল, রাসায়নিক এবং সংরক্ষক-মিশ্রিত খাবারের ভয় থেকে মানুষ এখন খুঁজছে বিশুদ্ধ ও বিশ্বস্ত উৎস। আর সেখানেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো বড় ভূমিকা রাখছে।
অনলাইনে অর্গানিক খাবারের চাহিদা কেন বাড়ছে?
ব্যস্ত শহুরে জীবন: সময়ের অভাবে মানুষ চায় সহজে বাসায় বসে খাঁটি খাবার অর্ডার করতে।
বিশ্বাসযোগ্যতা: ব্র্যান্ডগুলো এখন সোর্সিং থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত স্বচ্ছতা বজায় রাখছে।
স্বাস্থ্য সচেতনতা: ভেজালবিরোধী আন্দোলন ও গণসচেতনতা মানুষকে অর্গানিক খাবারের দিকে আকৃষ্ট করছে।
সহজ ডেলিভারি: ঢাকাসহ সারা দেশে দ্রুত হোম ডেলিভারি সুবিধা অনলাইন ফুড সেক্টরকে জনপ্রিয় করেছে।
চৌষট্টির পথচলা
“চৌষট্টি” শুধুমাত্র একটি অনলাইন ফুড স্টোর নয়—এটি আমাদের সচেতনতার প্রতিশ্রুতি। আমরা বিশ্বাস করি, খাবার শুধু পেট ভরানোর জন্য নয়, এটি আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার মূল ভিত্তি।
👉 চৌষট্টি সবসময় অগ্রাধিকার দেয়:
খাঁটি ও অর্গানিক পণ্য—কোনো প্রিজারভেটিভ, কীটনাশক বা কেমিক্যাল ছাড়া।
সরাসরি সোর্সিং—কৃষক, মৎস্যজীবী ও উৎপাদকদের কাছ থেকে সংগ্রহ।
গ্রাহকের আস্থা—আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন হলো সন্তুষ্ট গ্রাহক।
সচেতনতা ছড়ানো—ব্লগ, সোশ্যাল মিডিয়া ও কমিউনিটির মাধ্যমে বিশুদ্ধ খাবারের গুরুত্ব তুলে ধরা।
আমাদের অঙ্গীকার
আমরা চাই প্রতিটি পরিবার নির্ভয়ে বিশুদ্ধ খাবার খেতে পারে। তাই চৌষট্টি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে:
✔️ খাঁটি ও প্রাকৃতিক পণ্য পৌঁছে দেওয়ার।
✔️ গ্রাহকের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার।
✔️ বাংলাদেশের ৬৩ জেলার ঐতিহ্য ও খাঁটি স্বাদ ঘরে পৌঁছে দেওয়ার।
🌿 চৌষট্টি – রসনায় ঐতিহ্য, স্বাস্থ্যে অঙ্গীকার।
আপনার খাঁটি খাবারের অনলাইন ভরসা।









Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.