খলিশা ফুলের মধু
সুন্দরবনের খলিশা ফুলের মধু তার হালকা সোনালী রঙ এবং মিষ্টি স্বাদের জন্য বিখ্যাত। মৌমাছিরা সুন্দরবনের খলিশা ফুল থেকে এই মধু সংগ্রহ করে, যা এটিকে একটি অনন্য সুবাস এবং পুষ্টিগুণ দেয়। এটি সরাসরি প্রকৃতি থেকে পাওয়া একটি বিশুদ্ধ এবং স্বাস্থ্যকর পণ্য।
730৳ – 1,430৳ Price range: 730৳ through 1,430৳ কেজি
Add 3,000৳ to cart and get free shipping!
সুন্দরবনের খলিশা ফুলের মধু হলো বাংলাদেশের প্রকৃতি থেকে সরাসরি প্রাপ্ত একটি অসাধারণ উপহার। এটি সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনের বিশেষ ধরনের খলিশা ফুল থেকে মৌমাছিরা সংগ্রহ করে, যা এটিকে অন্যান্য মধুর থেকে আলাদা করে। এপ্রিল-মে মাসে যখন খলিশা ফুল ফোটে, তখন এই মধু সংগ্রহ করা হয়। এর হালকা সোনালী রঙ এবং নরম, মিষ্টি স্বাদ এটিকে সবার কাছে একটি প্রিয় মধুতে পরিণত করেছে। এটি শুধু স্বাদের জন্যই নয়, এর উচ্চ পুষ্টিগুণের জন্যও একটি আদর্শ খাবার।
স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং বিশেষত্ব
- বিশুদ্ধ এবং প্রাকৃতিক: আমাদের খলিশা ফুলের মধু সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং বিশুদ্ধ। এটিতে কোনো ধরনের কৃত্রিম চিনি, প্রিজারভেটিভ বা রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয় না। এর ফলে আপনি প্রকৃতির আসল স্বাদ এবং পুষ্টি উপভোগ করতে পারবেন।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: মধুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি ঠান্ডা, কাশি এবং গলা ব্যথার মতো সাধারণ রোগের জন্য একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার।
- হজমশক্তি উন্নত করে: খলিশা ফুলের মধু হজমতন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি হজম সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- প্রাকৃতিক শক্তির উৎস: এটি একটি প্রাকৃতিক কার্বোহাইড্রেটের উৎস, যা শরীরকে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে। এটি সকালে বা দিনের যেকোনো সময় শরীরকে সতেজ রাখার জন্য একটি দারুণ বিকল্প।
আপনি এই মধু সরাসরি খেতে পারেন, গরম জল বা চায়ের সাথে মিশিয়ে পান করতে পারেন, অথবা বিভিন্ন ধরনের ডেজার্ট, মিষ্টি এবং রান্নার কাজে ব্যবহার করতে পারেন।
| ওজন |
আধা কেজি ,১ কেজি |
|---|
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
বাংলাদেশে অনলাইনে খাঁটি খাবার কেনার যাত্রা: চৌষট্টির অঙ্গীকার
বাংলাদেশে ই-কমার্স সেক্টর ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। এক সময় যেখানে অনলাইনে শুধু পোশাক বা ইলেকট্রনিকস কেনাবেচা হতো, এখন সেখানে খাদ্যপণ্য, বিশেষ করে অর্গানিক ও খাঁটি খাবার কেনার প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে।
গত কয়েক বছরে মানুষ তাদের স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে অনেক বেশি সচেতন হয়েছে। বাজারের ভেজাল, রাসায়নিক এবং সংরক্ষক-মিশ্রিত খাবারের ভয় থেকে মানুষ এখন খুঁজছে বিশুদ্ধ ও বিশ্বস্ত উৎস। আর সেখানেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো বড় ভূমিকা রাখছে।
অনলাইনে অর্গানিক খাবারের চাহিদা কেন বাড়ছে?
ব্যস্ত শহুরে জীবন: সময়ের অভাবে মানুষ চায় সহজে বাসায় বসে খাঁটি খাবার অর্ডার করতে।
বিশ্বাসযোগ্যতা: ব্র্যান্ডগুলো এখন সোর্সিং থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত স্বচ্ছতা বজায় রাখছে।
স্বাস্থ্য সচেতনতা: ভেজালবিরোধী আন্দোলন ও গণসচেতনতা মানুষকে অর্গানিক খাবারের দিকে আকৃষ্ট করছে।
সহজ ডেলিভারি: ঢাকাসহ সারা দেশে দ্রুত হোম ডেলিভারি সুবিধা অনলাইন ফুড সেক্টরকে জনপ্রিয় করেছে।
চৌষট্টির পথচলা
“চৌষট্টি” শুধুমাত্র একটি অনলাইন ফুড স্টোর নয়—এটি আমাদের সচেতনতার প্রতিশ্রুতি। আমরা বিশ্বাস করি, খাবার শুধু পেট ভরানোর জন্য নয়, এটি আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার মূল ভিত্তি।
👉 চৌষট্টি সবসময় অগ্রাধিকার দেয়:
খাঁটি ও অর্গানিক পণ্য—কোনো প্রিজারভেটিভ, কীটনাশক বা কেমিক্যাল ছাড়া।
সরাসরি সোর্সিং—কৃষক, মৎস্যজীবী ও উৎপাদকদের কাছ থেকে সংগ্রহ।
গ্রাহকের আস্থা—আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন হলো সন্তুষ্ট গ্রাহক।
সচেতনতা ছড়ানো—ব্লগ, সোশ্যাল মিডিয়া ও কমিউনিটির মাধ্যমে বিশুদ্ধ খাবারের গুরুত্ব তুলে ধরা।
আমাদের অঙ্গীকার
আমরা চাই প্রতিটি পরিবার নির্ভয়ে বিশুদ্ধ খাবার খেতে পারে। তাই চৌষট্টি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে:
✔️ খাঁটি ও প্রাকৃতিক পণ্য পৌঁছে দেওয়ার।
✔️ গ্রাহকের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার।
✔️ বাংলাদেশের ৬৩ জেলার ঐতিহ্য ও খাঁটি স্বাদ ঘরে পৌঁছে দেওয়ার।
🌿 চৌষট্টি – রসনায় ঐতিহ্য, স্বাস্থ্যে অঙ্গীকার।
আপনার খাঁটি খাবারের অনলাইন ভরসা।









Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.